মন্ত্রী বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আগামী নভেম্বরের মধ্যেই চালু করা সম্ভব হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে হাতে খুব বেশি সময় নেই। তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
বিগত সরকারের বিদ্যুৎ চুক্তির সমালোচনা করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আগের সরকার বড় ধরনের আর্থিক বোঝা রেখে গেছে। তবে, নতুন সরকার চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে না; কারণ এই বিষয়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। আইন মন্ত্রণালয় বর্তমানে এই চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করছে। রাতারাতি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। বিদ্যমান চুক্তিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অপরিকল্পিতভাবে বিতরণ লাইন স্থাপন করার খেসারত জনগণকে দিতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘উৎপাদন ও সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকার পরও অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এর মূল কারণ বিতরণ লাইনের ত্রুটি। এসব সমস্যা কীভাবে দ্রুত সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে।’







