তিনি বলেন, ‘হাটে ক্রেতা কম। গরু দাম তেমন বলছে না ক্রেতারা। হাটে মোটামুটি গরু বিক্রি হচ্ছে। তবে তুলনায় কম। এই গরুটা দেড় বছর আগে বানেশ্বর হাট থেকে ৩৬ হাজার টাকায় কিনেছিলাম। হাটে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা চাচ্ছি। কমবেশি দাম হলে বিক্রি করে দেব।’
পবার শ্যামপুর নজিরের মোড় এলাকার বাসিন্দা আমিনুল এবার কোরবানির পশুহাট ঘুরে হতাশার কথা জানালেন। তার মতে, বাজারে গরুর দাম এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
পশুহাটে ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে সেই সুযোগে বিক্রেতারাও তুলনামূলক বেশি দাম চাচ্ছেন। ক্রেতারা দরদাম করলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিক্রেতারা দাম কমাতে রাজি হচ্ছেন না।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে পশুর হাট। তবে বাজারে বাড়তি দামের কারণে অনেক ক্রেতাই পছন্দের গরু কিনতে গিয়ে পড়ছেন দুশ্চিন্তায়।
হাটে আসা অধিকাংশ মাঝারি গরুর ওজন আড়াই মণ থেকে তিন মণের মধ্যে। এসব গরু প্রতিমণ প্রায় ৩০ হাজার টাকা হিসাব ধরে কেনাবেচা হচ্ছে। সে হিসেবে একটি গরুর দাম পড়ছে প্রায় ৭৫ হাজার থেকে এক লাখ টাকার মধ্যে।
বিক্রেতা সবুজ আলী বলেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ক্রেতারা হিসাব করে পশু কিনছেন। বড় গরুর দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই মাঝারি গরুর দিকে ঝুঁকছেন। আবার ছোট গরুর তুলনায় মাঝারি গরুতে মাংসও বেশি পাওয়া যায়। তাই এই সাইজের গরুতেই সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে।
ক্রেতা শামসুলজ্জামান বলেন, পরিবার ও বাজেট বিবেচনায় মাঝারি গরুই এখন সবচেয়ে উপযোগী। ফলে হাটজুড়ে মাঝারি গরুর সারির সামনেই বেশি দরদাম ও ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
কাটাখালি পশুহাটের ইজারাদার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, হাটকে কেন্দ্র করে টাকা চেক করার মেশিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ে টাকা পরীক্ষা করতে পারছে এখানে। যতক্ষণ পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতা থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত চলবে এই হাট।







