মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ডা. ইফতেখার হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই মিনিট ২১ সেকেন্ডের একটি অডিও ক্লিপ দেখতে পান। অডিওতে নাহিদ রাব্বি চাকরিপ্রার্থী আব্দুল কাদেরের কাছে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম মামলা রেকর্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মামলার প্রধান সাক্ষী হিসেবে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমদাদুল হককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও দুর্নীতিগ্রস্ত কাজের জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং কোনও অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়রা মনে করেন, এমন অভিযোগ শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নষ্ট করে না, বরং সাধারণ মানুষের আস্থাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। অভিযোগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পরশুরাম উপজেলা সমন্বয়ক নাহিদ রাব্বি বলেন, ‘এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমি কখনোই কারও কাছ থেকে ঘুষ দাবি করিনি। আমাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য এই অডিও ক্লিপটি বানানো হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছি।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেনী জেলা সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নাহিদ রাব্বি একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক এবং আমাদের সংগঠনের পরশুরাম উপজেলা সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা চাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন যথাযথ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে।’






