সকাল সোয়া ৭টার দিকে তারা স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নেন এবং রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দেন। বিক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত বিশেষ ট্রেনটি সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে এবং সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
জানা গেছে, রাজশাহী, পাবনা-ঈশ্বরদী, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন স্টেশন থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ট্রেন দুটি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শী ও অংশগ্রহণকারীরা জানান, বিশেষ ট্রেন হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া কোচ ও ইঞ্জিন অনেক পুরনো ও লোকাল মানের। এতে গাদাগাদি করে বসার মতো পরিবেশ তৈরি হয়। দ্রুতগতিতে ঢাকায় পৌঁছানো সম্ভব নয় বুঝতে পেরে তারা ভালো মানের ট্রেনের দাবিতে রেলপথে অবস্থান নেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শুভ আহমেদ বলেন, ‘যে ট্রেন দেওয়া হয়েছে সেটা একদমই লোকাল। এক সিটে ৫-৬ জন করে বসতে হচ্ছে। এই ট্রেনে সঠিক সময়ে ঢাকা যাওয়া সম্ভব নয়, তাই আমরা ব্লকেড দিয়েছিলাম।’
বিক্ষোভ চলাকালীন আন্দোলনকারীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। এক পক্ষ রেল বিভাগের বরাদ্দকৃত ট্রেনেই যাত্রা করেন, অন্য পক্ষ অবস্থান তুলে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী স্টেশন ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। বরাদ্দ দেওয়া ট্রেনগুলো যথেষ্ট মানসম্মত। এটা মূলত ভুল বোঝাবুঝির ফল।’







