পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ২৫ ডিসেম্বর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে থেকে চারটি স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে। এগুলো হলো- পঞ্চগড়-ঢাকা, চাটমোহর-ঢাকা, যশোর-ঢাকা ও খুলনা-ঢাকা। এছাড়া নাটোর-ঢাকার জন্য ট্রেনে অনুমদন চাওয়া হয়েছে; এখনও হয়নি। এসব ট্রেনের যাত্রী ধারণ ক্ষমতা প্রায় তিন হাজার। এদিন পাবনা-রাজশাহীর মধ্যে চলাচল করা ‘ঢালারচর এক্সপ্রেস’ ও রহনপুর-রাজশাহীর মধ্যে চলাচল করা ‘রহনপুর কমিউটার’ ট্রেনের যাত্রা স্থগিত করা হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, রাজশাহী মহানগর থেকে ৭০টি বাস ছাড়াও মাইক্রোবাস ও কারে যাবেন নেতাকর্মীরা। এছাড়া স্পেশাল ট্রেন ও ট্রেনের বগি বুকিং করা হয়েছে। অনেক নেতাকর্মী ইতোমধ্যে চলে গেছেন। যারা বাকি আছেন তারা আজ অথবা কাল যাবেন। আমাদের ধারণা রাজশাহী মহানগর থেকে ১৫ থেকে ১৬ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবেন। সেই লক্ষ্যে সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, রাজশাহী-৬ আসন থেকে ৪-৫ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাবে। সবচেয়ে বেশি এই আসন থেকে যাবে। এছাড়া রাজশাহীর সব উপজেলা থেকে সবমিলে ২২ থেকে ২৫ হাজার নেতাকর্মী যাবেন। বাস যাবে, মাইক্রোবাস যাবে, ট্রেনের টিকিট কাটা হয়েছে। অনেকে ট্রেনে যাবেন।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে (জিএম) ফরিদ আহমেদ বলেন, ২৫ ডিসেম্বর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে থেকে চারটি স্পেশাল ট্রেন চলাচল করবে। এরমধ্যে পঞ্চগড়-ঢাকা, চাটমোহর-ঢাকা, যশোর-ঢাকা ও খুলনা- ঢাকা রয়েছে। এছাড়া নাটোর-ঢাকার ট্রেনে অনুমোদন চাওয়া হয়েছে ; । আর রাজশাহী-ঢাকার মধ্যে চলাচল করা একাধিক ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হবে।