একই উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের ভুট্টাচাষি মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আগে এই এলাকায় তামাক, গম ও পাট চাষ বেশি হতো। তবে এখন মানুষের নানা ধরনের খাবারসহ গবাদি প্রাণী, মাছ ও হাঁস, মুরগির ও কবুতরের খাদ্য হিসেবে বাজারে ভুট্টার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণে আমরা বেশি পরিমাণে ভুট্টা চাষ করছি। বাজারে দামও ভালো, এতে করে কৃষক লাভবান হচ্ছে।’
জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের টেপাখড়িবাড়ী গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান জানান, তিস্তা নদীর দুই তীরে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভুট্টার আবাদ হয়েছে। যেদিকে, চোখ যায় শুধু ভুট্টা আর ভুট্টা। চরগুলোতে শুধুই বালুচর দেখা গেলেও, এখন সেখানকার মানুষ ভুট্টা চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তবে কৃষকদের দাবি, সরকারিভাবে ভুট্টা ক্রয়কেন্দ্র চালু করা হলে তারা ন্যায্যমূল্য পেতেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মোছা. শাহিনা বেগম বলেন, ‘কৃষকরা ভুট্টা চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। আমরা তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি, যাতে তারা আরও ভালো ফলন পেতে পারেন। সরকারি সহায়তা ও বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে নীলফামারীতে ভুট্টা চাষ আরও বেড়ে যাবে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলায় ৫ হাজার ৬৩৯ হেক্টর জমিতে ভুট্টার বেশী চাষ হয়েছে।’







