আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজশাহী সফরে আসার কথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার প্রথম রাজশাহী সফর। এ উপলক্ষে গত কয়েক দিন ধরেই নগরে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম চলছে।
অন্যদিকে জনসভার মূল ভেন্যু ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠেও প্রস্তুতি চলছে। মাঠসংলগ্ন সড়ক সংস্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জনসভার মঞ্চ তৈরি ও মাঠ পরিচ্ছন্ন করার কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
গতকাল মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন করেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) শাহীন শওকত এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারাও মাঠের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে রাজশাহীর মানুষের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পবা-মোহনপুর আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক। গতকাল দুপুরে মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। শফিকুল হক বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি নিতে হলেও স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও কৃষকদের বিষয়েও তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আসতে পারে বলে আশা করছেন এই সংসদ সদস্য। বিশেষ করে আখচাষিদের জন্য সহায়তার বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেন।
সফরকালে রাজশাহীর উন্নয়নে কয়েকটি দাবি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনার কথাও জানান শফিকুল হক। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে বীজ সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা, রাজশাহী বিমানবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করা, কৃষিভিত্তিক রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপন এবং রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করা। এ ছাড়া একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও রাজশাহীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শিক্ষা নগরী’ ঘোষণার দাবিও তুলে ধরার কথা জানান তিনি।
প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা দেড়টায় রাজশাহী ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর বেলা তিনটায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।







