বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লিভার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিপাকীয় এবং বিষমুক্তকারী অঙ্গ। এটি পুষ্টি প্রক্রিয়াকরণ, বিষাক্ত পদার্থ নিষ্ক্রিয়করণ, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় লিভারের কোষের মধ্যে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে ধীরে ধীরে এই কাজগুলো ব্যাহত হয়। এর ফলে যখন দূষিত খাবার বা পানি শরীরে টক্সিন, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস প্রবেশ করে, তখন লিভার কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে হিমশিম খেতে পারে। তাই, আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ ফুড পয়জনিংয়ের ঘটনাও আগে থেকেই দুর্বল লিভারের ওপর অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
গ্রীষ্মকালে ফুড পয়জনিংয়ের কারণ
‘টাচ এন্ডোক্রিনোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত ২০২৩ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ফ্যাটি লিভারের রোগীদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সংক্রমণ অতিরিক্ত প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া, ডিহাইড্রেশন, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা এবং বিপাকীয় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। যাদের ফ্যাটি লিভারের পাশাপাশি ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ কোলেস্টেরল বা উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
ডিহাইড্রেশন এবং ফুড পয়জনিং
খাদ্য বিষক্রিয়া কীভাবে প্রতিরোধ করবেন
টাটকা রান্না করা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, সঠিক রেফ্রিজারেশন, হাতের পরিচ্ছন্নতা এবং কাঁচা বা খোলা খাবার এড়িয়ে চলা অপরিহার্য সতর্কতা। ফ্যাটি লিভারের রোগীদের গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের মাসগুলোতে বাইরে খাওয়া বা রাস্তার পাশের বিক্রেতাদের কাছ থেকে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত। পানি, ডাবের পানি এবং সুষম তরল পানের মাধ্যমে শরীরকে আর্দ্র রাখলে তা গরমের সময় লিভার এবং কিডনির কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।







