৫২-তেও কাজল প্রাণচঞ্চল, সুন্দরী। তিনি নির্মেদ নন। তবু একটা আলগা চটক রয়ে গিয়েছে মধ্যবয়সে পৌঁছেও। অনেকেই বলেন, চলচ্চিত্রের শুরুর সময়ের কাজলের চেয়ে পরিণত কাজলের তফাত অনেকটাই। কারও চোখে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিনি আরও সুন্দরী হয়েছেন। কাজ, পরিবার, সন্তান— সব দিক সামলে নিজেকে তিনি ভাল রাখেন কী করে?
রূপচর্চা থেকে ডায়েট, নানা সময়ে একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী তাঁর যাপনের গল্প করেছেন। তাতেই জানা যায়, খাওয়াদাওয়া নিয়ে তিনি বেশ কড়া। রূপচর্চার কৌশলেও বাড়াবাড়ি তাঁর অপছন্দ। বাঙালি কন্যার ফিটনেস মন্ত্র কি লুকিয়ে সেখানেই?
অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, কখন খাবেন, কী খাবেন, কতটা খাবেন— সবটাই পূর্বপরিকল্পিত। খেতে ভালবাসলেও নিয়মের বাইরে সচরাচর তিনি যান না। ডায়েটের পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখতে নিয়ম করে শারীরচর্চাও করেন তিনি।
রূপচর্চায় প্রসাধনীর বাড়াবাড়ি তাঁর পছন্দ নয়। বরং দু’টি বিষয়ে তিনি বিশ্বাসী— ত্বকের আর্দ্রতা এবং ক্লিনজ়িং। অপরিচ্ছন্ন ত্বক থেকেই সংক্রমণ হয়। কাজল দিনে অন্তত ২ বার মুখ ধুয়ে নেন। কাজের প্রয়োজনে পুরু মেকআপ করতেই হয়। তবে যত রাতই হোক, মেকআপ তুলতে ভোলেন না তিনি। অভিনেত্রী সবসময় মুখ পরিষ্কার করে তবেই ঘুমোন। সেই রুটিনে থাকে ত্বক গভীর ভাবে আর্দ্র রাখার উপকরণ। এমন প্রসাধনী বেছে নেন, যা ত্বক আর্দ্র রাখে। পাশাপাশি, নিয়ম করে পর্যাপ্ত জলপানেও বিশ্বাসী তিনি।
কাজলের এই জীবনযাপন সত্যি কি ফিটনেস ধরে রাখতে পারে? পুষ্টিবিদেরা বলছেন, শরীর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যতালিকা জরুরি। আর খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে। সেই নিয়ম মানেন অভিনেত্রী। ত্বকের জেল্লা ধরে রাখার জন্যও অন্যতম শর্ত আর্দ্রতা। তাতেও গুরুত্ব দেন কাজল।







