মাহাতাব আলী মেহেদী বলেন, ‘মেয়ের চিকিৎসা নিয়ে আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ভিসা জটিলতায় মনে হচ্ছিল, সময়মতো চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারব না। মানবিকভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে দ্রুত ভিসা দেওয়ায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের প্রতি আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
একই দিনে রাজপাড়া থানার মিয়াপুর এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলামও পেটের দীর্ঘদিনের সমস্যার চিকিৎসার জন্য ভিসা নিতে আসেন। আগের সন্ধ্যায় তীব্র পেটের যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীর পরামর্শে তিনি সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে দ্রুত ভিসা হাতে পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন তিনিও।
শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে গতকাল সন্ধ্যায় প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছি। প্রতিবেশীর কাছ থেকে নম্বর পেয়ে যোগাযোগ করে আজ এখানে এসে দ্রুত সহযোগিতা পেয়েছি। আমার চিকিৎসার পথ সহজ করে দেওয়ায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’







