রাজশাহীর বাঘায় আওয়ামী লীগ দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে মেরাজসহ ৭জনকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান।
পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগ দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল এর স্ত্রী একটি এজহার দিয়েছে। এরপরই অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা মেরাজ সহ অন্যদের গ্রেফতার করা হয়। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকেই মেয়র আক্কাস ও উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলুর অনুসারী নেতাকর্মীরা গ্রেফতার আতংকে রয়েছে। অনেকেই গ্রেফতার এড়াতে নিরাপদ স্থানে সড়ে গেছে।
এর আগে আহতদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেছিলেন এটা খুবই ন্যাক্কারজনক দুঃখজনক ঘটনা। যারা একাজ করেছে আনইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের আইনে সোপর্দ করবে। দলীয় সন্ত্রাসীরা এক কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগনত ও দলীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মেয়র আক্কাস ও উপজেলা চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলুর অনুসারীর সাথে স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তঃত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল কে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সংঘর্ষে ইট পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র, ককটেল ও আগ্নিয়অস্ত্র ব্যবহার করে। পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে আধাঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ঘটনার পর এখন এলাকায় থমথমে অবস্থায় বিরাজ করছে। বাঘা পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।