‘সুতরাং, বিশ্বের যে সংকটগুলো হচ্ছে, এখানেও আমাদের কিন্তু ঐকমত্যের প্রয়োজন আছে। জাতীয় স্বার্থ যেখানে বিঘ্নিত হবে, সেখানে আমাদের ঐকমত্যে আসতে হবে। বিশ্বের সংকট যখন মোকাবিলা করতে হবে, সেখানে আমাদের একটা জাতীয় ঐকমত্য থাকতে হবে। জাতির স্বার্থে, দেশের স্বার্থে ঐকমত্যের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগ নাই। বিএনপি সে কাজটা খুব মনোযোগের সঙ্গে করছে।’
‘দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক কালচারে আমরা যে পরিবর্তন চাচ্ছি, একে অপরের প্রতি সহনশীলতা এবং অপরের সঙ্গে ভিন্ন মত পোষণ করেও তার প্রতি সম্মান জানানো, তার মতামতের প্রতি সম্মান জানানো— এই কালচারটা আমরা আনার চেষ্টা করছি। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহযোগিতার কালচার আমরা ফিরিয়ে আনতে না পারলে, শত সংস্কারও কিন্তু কাজ হবে না। আমাদের রাজনৈতিক সহনশীলতা, পরস্পরের সঙ্গে মতবিরোধ, মতপার্থক্য থাকলেও একে-অপরের প্রতি যাতে সম্মানবোধ আমরা না হারাই, সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বিএনপি নেতা খসরু বলেন, ‘সুতরাং, আমার মনে হয়— আমাদের মধ্যে আস্থারও একটা ব্যাপার আছে। আমরা যদি একেবারে আস্থাহীন হয়ে যায়, সেটা কিন্তু আমি যে কালচারের কথা বলছি, সংস্কৃতির পরিবর্তনের কথা বলছি, সহনশীলতা ও পরস্পরের প্রতি সম্মান থাকা, সেটার জন্য একটু ধৈর্যও থাকতে হবে। একদম অস্থিরতার মধ্যে থাকলে তো সমস্যা। এটা কোনও জাতির জন্য কাম্য না।’
প্রসঙ্গ ইশরাক: ‘একটু ধৈর্য ধরি’
আমির খসরু বলেন, ‘এই জায়গাতেই তো প্রশ্ন, আইনিভাবে কোর্টের রায় হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আসছে। সুতরাং, সবাই অপেক্ষায় আছে আরকি।’
‘আমরা দেখি, সরকার কী সিদ্ধান্ত দেয়। একটু অপেক্ষা করি, একটু ধৈর্য ধরি’, বলেন আমির খসরু।







