এসময় বিক্ষোভকারীদেরকে ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’, ‘ধর্ষণের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘ধর্ষকের শাস্তি, মৃত্যু মৃত্যু ’, ‘ধর্ষকের আস্তানা, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও ’, ‘আমার সোনার বাংলায়, ধর্ষকের ঠাঁই নাই ’, ‘ধর্ষকের শাস্তি হোক, ইনসাফের জয় হোক’, ‘নির্বাচনের পনেরো দিনে, প্রশাসনকে নিলো কিনে’, ‘তারেক রহমান জানেন নাকি, ধর্ষকের নেতা আপনি’, এ ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, দেশের মা-বোনদের সম্মান, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্রসমাজ ও সচেতন জনতা সবসময়ই ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুত এ কথা সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্মরণ রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, এরকম স্বৈরাচারী আচরণ থেকে বিরত হয়ে ধর্ষকের বিচার ও ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করে সে ছাত্রদল হোক, বিএনপি হোক, ধর্ষক যা সে স্রেফ ধর্ষকই এদের বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত বাংলাদেশের মানুষ আপনাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রাখবে ইনশাআল্লাহ। আমরা ধর্ষণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে ধর্ষিতা বোনদের জন্য দোয়া করছি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, শুধু বিচার নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বিক্ষোভ মিছিলে রাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, হল সংসদের নেতাসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।