কলকাতায় খুন হওয়া বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার তদন্তকালে সঞ্জীবা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার মাংসের টুকরোগুলো মানুষের বলে জানা গেছে। তবে সেটি এমপি আনারেরই কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। ডিএনএ পরীক্ষার পরেই সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত মে মাসে কলকাতায় গিয়ে খুন হন আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ারুল আজীম আনার। অভিযুক্তদের স্বীকারোক্তির সূত্র ধরে জানা যায়, হত্যার পর টুকরো টুকরো করা হয় এমপি আনারের নিথর দেহ। এরপর মাংসের টুকরো ফেলা হয় সঞ্জীবা গার্ডেনসের কমোডের ভেতর এবং পার্শ্ববর্তী বাগজোলা খালে ফেলা হয় হাড়গুলো।
উদ্ধার হাড়গুলো মানুষের নাকি অন্য কোনো প্রাণীর, তা জানতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। মানুষের হলে সেগুলো এমপি আনারের কি না তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হতে পারে।
পচে যাওয়া মাংসের টুকরোগুলো মানুষের কি না তা জানতে পাঠানো হয় ফরেনসিক পরীক্ষায়।
ঢাকায় ফেরার আগে সাংবাদিকদের সামনে হারুন অর রশীদ বলেন, পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডিকে অনুরোধ করে কমোড, সেপটিক ট্যাংক ও স্যুয়ারেজ লাইন পরীক্ষা করা হয়। এরপরেই সেপটিক ট্যাংক থেকে কয়েক টুকরো মাংস পাওয়া হয়।
সূত্র বলছে, ফরেনসিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, সঞ্জীবা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার মাংসের টুকরোগুলো মানুষের।
উদ্ধার মাংস ও হাড়গোড় এমপি আনারের কি না তা জানতে এখন ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। সেক্ষেত্রে এমপি আনারের মেয়ে অথবা তার ভাইয়ের রক্তের নমুনা নেওয়া হতে পারে। সে কারণে বাংলাদেশে অবস্থানরত এমপি আনারের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিআইডি সূত্র।