চিঠিতে আরও বলা হয়, যেসব আহত যোদ্ধা এবং শহীদদের নতুন আবেদন জমা আছে (সফটওয়্যারে এন্ট্রি করা নয়) সে সব তথ্যের প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে, জেলা কমিটির প্রত্যয়নসহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য ২ জুনের মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পাঠানো তথ্যের কপি অবশ্যই নিজ দফতরে সংরক্ষিত থাকতে হবে।এর আগে, ১২ হাজার ৪৩ জন আহত যোদ্ধা এবং ৮৩৪ জন শহীদের তথ্য গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। নতুনভাবে গেজেটে প্রকাশের জন্য ১ হাজার ৭৬৯ জন আহত যোদ্ধার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনও আহত বা শহীদের তথ্য ভেরিফায়েড না হয়ে থাকলে জেলা কমিটির মাধ্যমে নিশ্চিত (ভেরিফায়েড হবে কিনা) হতে হবে। কমিটির সুপারিশসহ এবং ভেরিফায়েড কিন্তু তথ্যের ঘাটতি বা অসঙ্গতির কারণে প্রস্তাবিত গেজেট তালিকা থেকে বাদ পড়ে থাকলে সেই ঘাটতি তথ্য পূরণ করে ২ জুনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তথ্যসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ বরাবর পাঠাতে হবে।
এছাড়া নতুন আবেদনের তথ্য পাঠানো এবং সফটওয়্যারে বিদ্যমান তথ্যের সংশোধনী পাঠানোর সময় অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ছক অনুযায়ী তথ্য আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।







