জামালের খালাতো বোন সাথী বেগম বলেন, জামালের পুরুষাঙ্গের অণ্ডকোষে আঘাত করে ডাকাতদলের সদস্যরা ঘরে থাকা নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা এসে জামালকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর ৪টার দিকে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও বলেন, জামালের এমন মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছে না। এখন এই পরিবারে আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইলো না। পরিবারের একমাত্র সদস্য জামালের বৃদ্ধ মা যেকোনও সময় বিদায় নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে স্থানীয়দের ধারণা, এটা ডাকাতির ঘটনা নাও হতে পারে, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডও হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব তদন্ত করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করেছেন তারা।
ফরিদপুরের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল-নগরকান্দা) আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে জামালের ঘরে দুই জন চোর বা ডাকাত ঢুকে তার অণ্ডকোষে আঘাত করে হত্যা করে। তাকে হত্যার সময় ঘরের বাইরে আরও লোকও থাকতে পারে। ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা গুরুত্ব দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্ত করছি। আশা করি, দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো।






