৯০ মিনিট পর্যন্ত এভাবে চলেছে ম্যাচ। রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই ড্রতে খুশি থাকতে হয়েছে পিটার বাটলারের দলকে।ম্যাচে ইন্দোনেশিয়া ৯ শটের মাত্র ৪টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বাংলাদেশ ১৫টি আক্রমণের সাতটি রাখে পোস্টে, তবুও গোল হয়নি। দুইবারের উইমেন’স সাফ জয়ী রুপনা ছিলেন পোস্টে বিশ্বস্ত দেয়াল হয়ে। ৮০ মিনিটে ওক্তাভিয়ানি রেভার শট বাম দিকে ঝাঁপিয়ে কোনোমতে আটকান তিনি। একটু পর পাল্টা আক্রমণে ওঠা ঋতুপর্ণা চামকা শট নেওয়ার আগেই ক্লিয়ার করেন জর্ডানের এক ডিফেন্ডার।
৮৭ মিনিটে ঋতুপর্ণার ফ্রি কিক অল্পের জন্য পোস্ট ঘেষে বেরিয়ে যায়। হতাশায় মুখ ঢাকেন ডাগআউটে থাকা কোচ, কোচিং স্টাফরা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে বড় বাঁচা বেঁচে যায় বাংলাদেশ। আক্রমণ আটকাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন রুপনা, কিন্তু সতীর্থের পাস ধরে ক্লাওদিয়া আলেকসান্দারা ফাঁকা পোস্টে শট নিলেও বল পোস্ট কাঁপিয়ে ফিরে। একটু পর জর্ডান জালে বল জড়ালেও অফসাইডের কারণে পায়নি গোল। এর পরপরই বাজে শেষের বাঁশি।এই সফরে ৩ জুন জর্ডানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।







