আরও জানা গেছে, আলু সংরক্ষণের ক্ষেত্রে চলতি বছরে হিমাগারে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ টাকা ৭৫ পয়সা। আর পেইড বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও আগের চুক্তি না মেনে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছিল বলে আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানায়। এ নিয়ে আলু মৌসুম থেকে চাষি ও ব্যবসায়ীরা হিমাগারের ভাড়া কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবি হিমাগার কর্তৃপক্ষ না মানায় দুপক্ষের মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ বিরাজ করছিল দীর্ঘদিন থেকে। এ নিয়ে বিগত সময়ে সভা, সমাবেশ ও সড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ মিছিল করেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। সর্বশেষ রবিবার (১৫ জুন) দুপুরে পবা উপজেলার বায়ায় হিমাগারের বাড়তি ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা আলুচাষি ও ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিঠু আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে হিমাগারে আলু সংরক্ষণের খরচ কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলাম আমরা। সোমবার প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা সভা চলেছে হিমাগার ও আলুচাষি-ব্যবসায়ীদের। সভায় হিমাগারের আলু সংরক্ষণের যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তাতে আমরা খুশি।’
রাজশাহী কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমানের ফোনে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ বলেন, ‘সেনানিবাসে আলুচাষি-ব্যবসায়ী, হিমাগার মালিক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা সভা হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, হিমাগারে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের ভাড়া ৫ টাকা ৫০ পয়সা। সেই সঙ্গে যুক্ত হবে ৫০ পয়সা শ্রমিকচার্জ। আর পেইড বুকিং আগের চুক্তি অনুযায়ী বহল থাকবে। তার সঙ্গে শুধু শ্রমিক খরচ যুক্ত হবে ৫০ পয়সা।’







