উল্লেখ্য, নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর ইমান-আকিদা রক্ষা কমিটির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা নুরাল পাগলের রাড়িতে হামলা, ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের হামলার প্রায় অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের দুটি গাড়ি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) গাড়ি ভাঙচুর করে।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, দুই পক্ষের হামলায় ২২ জন আহত হয়। এর মধ্যে ১৯ জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হলে পথিমধ্যে একজন মারা যায়। বাকি তিন জন নিরাপত্তার জন্য স্বেচ্ছায় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চলে যায়।






