এছাড়াও ‘সামার ভেজিটেবল সুই’ ও ‘ট্রাফল এডামামে’-এর দাম ৯৫০ রুপি করে। স্যালাডের দাম ৫০০ থেকে ১,১০০ রুপির মধ্যে। এর মধ্যে ‘সাশিমি স্যালাড’ বিশেষভাবে জনপ্রিয় স্যামন ও টুনা মাছ দিয়ে তৈরি এই জাপানি খাবারের দাম প্রায় ১,১০০ রুপি।
রেস্তোরাঁটিতে জাপানি কিছু পদও পাওয়া যায়। যেমন ‘এনোকি মাশরুম টেমপুরা’ ৬০০ রুপি, পদ্মফুলের গোড়া দিয়ে তৈরি একটি খাবারের দাম ৭৫০ রুপি, আর ‘চিকেন ইয়াকিতোরি’ পাওয়া যায় ৮০০ রুপিতে। মেনুর সবচেয়ে দামি খাবার দুটি ভেড়ার মাংসের পদ। একটির দাম ৩,৮০০ রুপি এবং অন্যটির ৪,৭০০ রুপি। এছাড়া নরওয়ের পদ্ধতিতে রান্না করা স্যামন মাছ বিক্রি হয় ১,৯০০ রুপিতে এবং চিংড়ির একটি পদ পাওয়া যায় ৬৫০ রুপিতে।
তবে অনেকদিন আগে ‘তরী’ বিতর্কের মুখেও পড়ে। এক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েনসার অভিযোগ তোলেন, রেস্তোরাঁটি নকল পনির ব্যবহার করছে। যদিও গৌরী খান বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।