বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন

কোরবানির জন্য প্রস্তুত ২ লাখের বেশি পশু

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; captureOrientation: 0; shaking: 0.151499; highlight: 1; algolist: 0; multi-frame: 1; brp_mask: 0; brp_del_th: 0.0000,0.0000; brp_del_sen: 0.0000,0.0000; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 7864320;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 41;

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আগে থেকেই পুরোদমে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পশুর হাটগুলোতে। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার ৫টি উপজেলায় খামার ও পারিবারিক পর্যায়ে পশু লালন-পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন পশু পালনকারীরা।

সরেজমিনে জেলার প্রায় সবগুলো পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, বাইরের জেলা থেকে অনেক পাইকার পশু ক্রয়ের জন্য আসছেন। ঠিক তেমনি স্থানীয়রাও কিন্তু তাদের পছন্দমতে কোরবানির পশু ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেয়। এদিকে এবছর চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশু বেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়।

জলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৫টি উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ৫০টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা হচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০২টি পশু। ফলে জেলায় উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫৮ হাজার ৮৪৮টি পশু।

পশু গুলোর মধ্যে ৪৩ হাজার ৮২৪ টি ষাঁড়, ৩৬ হাজার ৩৩১ টি বলদ, ৩৬ হাজার ৮৫৫ টি গাভী, ৫০৬ টি মহিষ, ৮৪ হাজার ৮০১ টি ছাগল ও ১২ হাজার ৯২২ টি ভেড়া রয়েছে। এছাড়াও ৫ টি অন্যান্য পশু রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলার সর্ববৃহৎ পশুর হাট তর্ত্তিপুরে কোরবানির গরু ক্রয় করতে আসা মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি গত কয়েক বছর ধরে গৃহস্থের কাছ থেকেই গরু ক্রয় করে থাকি। আজ হাটে এসেছি পরিচিত বা জানাশোনা কোন গৃহস্থের কাছ থেকে গরু ক্রয় করবো বলে। জানা মতে আমাদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গৃহস্থ ও খামারিরা হাইজেনিক মেইনটেন্ট করে খাবার দিয়ে থাকে। তাই গরুর মাংসের গুণগত মানও ভালো থাকে।

শিবগঞ্জ উপজেলার রুহুল এগ্রো ফার্মের মালিক রুহুল আমিন বলেন, আমরা প্রাকৃতিক উপায়ে গরু লালন-পালন করে থাকি। আমাদের নিজস্ব জমিতে উৎপাদন করা ঘাস এবং সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করা দানাদার খাবার খাইয়ে থাকি। যার কারণে আমাদের এখানে গরু আগে থেকেই বিক্রি হয়ে যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোসা. শারমিন আক্তার বলেন, এ বছর কোরবানির ঈদে জেলায় কোরবানি পশু প্রস্তুত আছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৫০ টি। আর চাহিদা হচ্ছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২০২টি পশু। ফলে জেলায় এখন পর্যন্ত আমাদের চাহিদা অনুযায়ী উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫৮ হাজার ৮৪৮টি পশু।

তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহা বাংলাদেশে একটি বৃহৎ উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর একটা চ্যালেঞ্জে থাকে। আমরা সব অংশীজনদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করি।


এই বিভাগের আরো খবর