কোস্তিউক বলেন, ‘আমি ভাবতেই শিউরে উঠছিলাম যে, ক্ষেপণাস্ত্রটি যদি আর মাত্র ১০০ মিটার কাছাকাছি পড়ত, তবে আজ হয়তো আমার মা এবং বোন বেঁচে থাকত না। টেনিস একটি মানসিক খেলা, কিন্তু আজকের লড়াইটি ছিল সম্পূর্ণ অন্যরকম। আমি জানতাম না কীভাবে মনোযোগ ধরে রাখব বা নিজের চিন্তাভাবনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব কি না।’
চরম পারিবারিক দুশ্চিন্তা সত্ত্বেও কোর্টে কোনো প্রভাব পড়তে দেননি কোস্তিউক। দাপুটে টেনিস খেলে প্রথম সেট ৬-২ ব্যবধানে নেওয়ার পর দ্বিতীয় সেটেও ৬-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন। এমনকি খেলার মাঝেই দর্শকদের চমকে দিয়ে দারুণ এক আন্ডারআর্ম সার্ভ করেন তিনি। হাসিমুখে কোস্তিউক বলেন, ‘যখন আমি ম্যাচে কিছুটা জায়গা পাই, এটা করতে ভালোবাসি। প্রতিপক্ষরা সবসময় এটা দেখে চমকে যায়।’







