বুধবার নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে যখন সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তার সঙ্গে দেখা করতে চাই।’ একই সঙ্গে ট্রাম্প বলেছিলেন, পরিস্থিতি কীভাবে এগোয় তার ওপর ভিত্তি করে সম্ভবত কোনও এক সময়ে আমাদের দেখা হবে।
আল মায়াদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাঘচি নতুন সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে তার সম্পূর্ণ ঘনিষ্ঠ ও কার্যকর উপস্থিতি রয়েছে এবং সবকিছুর ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
গত ৮ এপ্রিল থেকে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে এই যুদ্ধটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি ওই সাক্ষাৎকারে আরও প্রকাশ করেন যে, যে হামলার ঘটনায় আলী খামেনি নিহত হয়েছিলেন, সেই সময় তিনি নিজেও সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের ভেতরেই ছিলেন। তবে তিনি ভবনের অন্য একটি অংশে থাকায় বেঁচে যান।
আলী খামেনিকে হত্যার ওই ঘটনার পর ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল। এর জবাবে তারা ইসরায়েল এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
পরবর্তীতে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ এবং সরাসরি আলোচনা চললেও তা এখন পর্যন্ত এই সংঘাতের স্থায়ী অবসান ঘটাতে কোনও স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা এখনও বিরাজ করছে।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড







