মীর আহমদ বিন কাসেম তার প্রস্তাবে বেনজীর আহমেদকে সেন্ট লুসিয়া থেকে ফিরিয়ে আনার কথা বলেছিলেন। এ তথ্যের সংশোধন করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, আপনি সুশিক্ষিত। আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আপনার তথ্যে কিছুটা ঘাটতি আছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে আপনি বলেছেন, বেনজীর সেন্ট লুসিয়া চলে গেছেন। কিন্তু আমরা দূতাবাসের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে খোঁজ নিয়েছি। তারা জানিয়েছেন, এমন কোনো বিষয়ে তারা অবগত নন। তার মানে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতেই অবস্থান করছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দূতাবাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করেছে এবং সংস্থাগুলোকে তার ওপর নজর রাখার অনুরোধ করেছে। আমরা তা করব। বিচারের দীর্ঘ হাত দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রত্যেক সন্ত্রাসীকে টেনে-হিঁচড়ে ফিরিয়ে আনবে।
বেনজীর আহমেদকে ‘খুনি’ ও ‘জাতির দুশমন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষকে নিপীড়নকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই খুনি শুধু আপনাদের (জামায়াত) বা বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেনি, সে সাধারণ মানুষকেও হত্যা করেছে, মিথ্যা মামলা দিয়েছে। সে দেশের দুশমন, জাতির দুশমন। তার বিরুদ্ধে আমাদের এক হতে হবে।
সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের কাছ থেকে আপনি যে নিপীড়নের মধ্য দিয়ে গেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা আপনাকে কখনোই কেবল জামায়াতে ইসলামীর সদস্য হিসেবে দেখিনি, একজন বিরোধীদলীয় কর্মী হিসেবে দেখেছি; যাকে এক ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার হতে হয়েছিল এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সরকার ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার আওতায় সেই অপরাধীদের প্রত্যেককে ধরে তাদের বিচার করবে। দেশ লুটে ও মানুষ হত্যা করে যারা পালিয়েছে, সবাইকে ধরে আনা হবে। দলমত নির্বিশেষে আপনাদের সবাইকে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকতে হবে।







