এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে একটার দিকে তানভীরের বাবাকে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। তানভীর দাবি করেন, দোকানও ভাঙচুর করেছে। এলাকাতে ইটপাটকেল মারে। পেট্রোল বোমাও হামলা করে। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে আমাদেরকে ভয় দেখায়। দোকানে আমার প্রায় দেড় লাখ টাকার সিগারেট ছিল, লুট হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে তানভীর বলেন, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক ৭টার সময় এখানে (দোকানে) তিনজন এসেছিল এই গলিতে মাদক কিনতে, হয়তো বা। তারা এসে আমার দোকানে একটি ২০০ টাকার নোট দিয়ে বলে ভাঙতি করে দাও। আমি (তানভীর) দুইটা ১০০ টাকার নোট দিয়েছিলাম। তারা বলছে ১০০ টাকা আবার দুইটা ৫০ টাকা করে দাও। আমি বলছি যে নাই। আমার আব্বা (বারিউল) ঘুম থেকে কেবলই উঠে এসে দাঁড়িয়েছে এখানে। উনারা আমার আব্বাকে বলছে ভাঙতি দিল না কেন? তাই বলে আমার আব্বার কলার ধরে নিয়েছে। কলার ধরে আমার আব্বাকে মারছে। আমি তাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করি। পরে আমার আরো চাচারা এলাকাবাসী সবাই এসে ওদেরকে ছুটাতে গিয়ে ওরা ড্রেনে পড়ে যায়। ওদের একজনের মাথা ফেটে যায়। তখন ওনারা বলে তোদেরকে দেখে নিব। তাই বলে ওরা চলে যায়।
এরআগে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিহতের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ নিয়ে আসা হয় ডিঙাডোবা এলাকায়। এরপর বাদ আসর মহিষবাথান কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে রাজপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







