সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
/ কৃষি
কৃষকেরা আগাম জাতের আলু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন বাজারে ইতোমধ্যেই আগাম জাতের নতুন আলু উঠতে শুরু করেছে। এবার আগাম জাতের আলুর দাম গতবারের তুলনায় বেশ ভালো, তাতে আরো পড়ুন
চলতি বছরের ভরা মৌসুমে সিরাজগঞ্জের চলন বিলাঞ্চলে পেঁয়াজ ও রসুন বীজের দাম বেশি হওয়ায় চাষাবাদে বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। তারা বলছেন, এক বিঘা রসুন চাষে ৩০ এবং পেঁয়াজে ৫৫  হাজার টাকা
জেলায় আবহাওয়া ভালো থাকায় আগাম জাতের আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন।গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কথা হয় দিনাজপুর সদর উপজেলার উলিপুর গ্রামের আলু চাষী কৃষক
শেরপুর জেলার শ্রীবরদি উপজেলার বৃহৎ হাটে প্রতিদিন ৩০ লাখ টাকার কলা বিক্রি হয়। সকাল ১০ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে এই হাট। এই হাটের বিভিন্ন জাতের কলা নিজ জেলার চাহিদা
সরকার চলতি বছরে ৫০ লাখ ৭০ হাজার হেক্টর জমি থেকে ২ কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, সরকার দেশের একক বৃহত্তম ফসলের এই
রাজশাহীতে দুটি হিমাগারে ভ্রম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে ২৬শো বস্তা আলু নির্ধারিত দামে খোলা বাজারে বিক্রি করেছে পবা উপজেলা প্রশাসন। এ সময় সেই মধ্যস্বত্বভোগীরা এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে, একাধিক
বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনা নদীর বিস্তীর্ণ বালুচর একসময় অনাবাদি থাকতো। মানুষের চাহিদার কারণে এখন চরগুলো নানা ফসলে ভরপুর। চরের কৃষকরা এখন তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। অনেকে চর
জেলার চরাঞ্চলে নতুন জাতের ধান আবাদ করছে চাষীরা।  উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান ‘ব্রি ধান-১০৩’। অন্যান্য জাতের আগেই এসব ধান ক্ষেত থেকে সংগ্রহ করতে পারেন কৃষকরা। ভোলার লালমোহন উপজেলায় প্রথমবারের মতো