অফিস আদেশে বলা হয়, সম্প্রতি এক পরীক্ষকের বিরুদ্ধে বাসায় ডেকে পরীক্ষার্থীকে খাতায় লেখানোর অভিযোগ উঠেছে।
যেখানে বলা হয়, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পরীক্ষক মো. সেকেন্দার আলী পরীক্ষার্থীদের ফোনের মাধ্যমে ডেকে টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার খাতায় লিখিয়ে নম্বর বৃদ্ধি করেছেন।
কমিটির সদস্যরা হলেন— রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের প্রধান মূল্যায়ন কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) এস. এম. গোলাম আজম, প্রোগ্রামার মো. সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (উচ্চ মাধ্যমিক) (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোছা. সেলিনা পারভীন এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মো. জাহিদুর রহিম।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গঠিত তদন্ত কমিটিকে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিবের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।প্র সঙ্গত, অভিযোগে নাম আসা পরীক্ষক মো. সেকেন্দার আলী রাজশাহীর হাজী জমির উদ্দিন শাফিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক।







