রাজশাহী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. গোলাম কাজেম আলী আহমেদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সামনে এই মানববন্ধনে নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেয়। মানববন্ধনে দাবি করা হয়, কাজের আলী হত্যার ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত খুনিদের চিহ্নিত করা হয়নি। নগরীতে পুলিশ বাহিনীর স্থাপিত ৫ শতাধিক সিসি ক্যামেরা থাকলেও ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত মাইক্রো কারটি পর্যন্ত জব্দ করতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকাণ্ডটিকে পরিকল্পিত দাবি করে বলা হয়, আওয়ামী হায়নারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। ডা. কাজেম আলীর সন্তান আবরার ফারহান আহমেদ সাদ বলেন, তাদের বাবা হত্যাকান্ডের পর এখন পর্যন্ত তাদের পরিবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারেনি। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর রাতে নগরীর লক্ষীপুরে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখে বাড়ি ফেরার পথে কলাবাগান এলাকায় একটি মাইক্রোতে করে এসে দুষ্কৃতিকারীরা নৃসংশভাবে হত্যা করে চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাজেম আলীকে। এই ঘটনায় হওয়া মামলার প্রায় ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকেই চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। ডা. কাজের আলী ছাত্র জীবনে শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানাগেছে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বিএমএর সাবেক সভাপতি ডা. ওয়াসিম হোসেন, ন্যাসনাল ডক্টরস ফোরাম রাজশাহীর সভাপতি ডা. কাজী মহিউদ্দীন আহমেদ, চিকিৎসক নেতা ডা. মনোয়ার তারিক সাবু, ডা. মোরশেদ জামান মিঞা প্রমুখ।