ভারতে টানা তৃতীয় দফায় সরকার গঠনের দিকে এগোচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়ে জোট সরকারের মুখাপেক্ষী হতে হয়েছে তার নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারকে। সুযোগ বুঝে জোট এনডিএ’র শরিক দলগুলোও বিভিন্ন দাবি জানিয়েছে।
কিন্তু স্পিকার পদের প্রতি সবার নজর কেন? কেন তারা এই পদ পেতে আগ্রহী? বিজেপিই বা কেন স্পিকার পদে নিজেদের লোককে বসাতে মরিয়া?
মূলত জোট সরকার যখন গঠিত হয়, তখন বিভিন্ন ইস্যুতে স্পিকারকে যে সব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হয়, তা অজানা নয় চন্দ্রবাবু নাইডুর। কারণ তার দল অতীতে একাধিক জোট সরকারে শামিল থেকেছে। তাই এর গুরুত্ব টিডিপি ভালোই বোঝে।
লোকসভার স্পিকার হলেন লোকসভার প্রধান। একইসঙ্গে তিনি সংসদের নিম্নকক্ষের মুখপাত্রও। সংসদ পরিচালনা, সংসদের ভেতরে সংসদ সদস্যদের আচরণবিধি দেখভাল করা এবং সংসদ পরিচালনার সমস্ত দায়িত্ব স্পিকারের কাঁধে ন্যস্ত থাকে।
এছাড়া স্পিকারকে সংবিধানের শেষরক্ষক হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়। প্রশ্ন যখন জোট সরকারর পরিচালনার হয়, তখন স্পিকারের গুরুত্ব বেড়ে যায় আরও কয়েক গুণ। সংসদের ভেতরে অধিবেশন পরিচালনায় স্পিকার মুন্সিয়ানার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।
সেই সঙ্গে সংসদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত স্পিকার নিয়ে থাকেন। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট গত ১০ বছরের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই সংসদের ভেতরে বিল পাস হোক বা সেটি হোক অন্য যে কোনও বিষয়ে আলোচনা।
কিন্তু শরিকদের আবদার মেটাতে শেষ অবধি কী সিদ্ধান্ত হয়, সেদিকে নজর রয়েছে বেশিরভাগ মানুষেরই।