এসআরবি-৫ জানায়, দুপুরে রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হয়। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে চিকিৎসাসেবা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করা এবং দালালি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে শনাক্ত করে আটক করে। আটককৃতরা রামেক হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের টার্গেট করে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা, অ্যাম্বুলেন্স ও দ্রুত সেবা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রলোভন দেখায়। পরে তাদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে প্রতারণা করে।
তিনি বলেন, অভিযান চলাকালে আমরা সাতজনকে ধরতে পেরেছি। এই সাতজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের আদেশ অমান্য করে দালালি কার্যক্রম করছিলেন। তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী এসআরবি-৫-এর উপঅধিনায়ক মেজর মঞ্জুরুল কবির পিয়াল বলেন, রাজশাহী হাসপাতাল এলাকায় দালালবিরোধী একটি বিশেষ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্নভাবে হয়রানি, প্রতারণা এবং অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আমরা অনেক দিন থেকে পেয়ে আসছিলাম। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি। অভিযান চলাকালে এসআরবির-৫-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







