র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিপিএসসি, র্যাব-৫, রাজশাহীর একটি অপারেশন দল রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার পোড়াভিটা নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের মূলহোতা বদিউজ্জামান সহ ৫জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত বদিউজ্জামান চারঘাট পোড়াভিটা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। অন্য আসামী হলো বাঘা সরেরহাট এলাকার মৃত কুদ্দুস সরদার এর ছেলে
সাগর সরদার (১৯), বাঘা বড়ছয়ঘাটি গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে তোহিদুল ইসলাম, মৃত কেরামত আলীর ছেলে শামসুল (৪৫) এবং নাটোর জেলার লালপুর থানার নওপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোসগুল সরদারের ছেলে তসলিম হোসেন (৩২)কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে অটো ভ্যানের টায়ার ৭টি, লোহার হুক ২টি, লোহার কাটার ৪টি, ঘ। সেলাই রেঞ্চ ২টি, অটো ভ্যানের সিট ৭টি, অটো ভ্যানের মোটর ২টি, ভ্যানের বডি ২টি, এবং ৪টি মোবাইল উদ্ধার করে।

গত ৯ জুন রাতে রাজশাহীর বাঘা থানার একটি ইউনিয়নের ১৫ বাড়ী থেকে চুরির ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব-৫, রাজশাহী ছায়া তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে র্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিএসসি, মোল্লাপাড়া ক্যাম্পের একটি চৌকস দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আন্তঃজেলার কুখ্যাত সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্যের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে শনিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে ৫ জন আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্যকে আটক করে এবং অভিযানে টাকা-পঁয়সা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করতে না পারলেও চুরিকৃত অটোভ্যানের বিভিন্ন খন্ডিত অংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন যাবত সংঘবদ্ধ ভাবে মানুষের বাড়ি হতে টাকা-পঁয়সা ও স্বর্ণালংকার, অটোভ্যান সহ আরো অনেক কিছু চুরির সাথে জড়িত। তারা চুরিকৃত বিভিন্ন অটো ভ্যান রিক্সার বডির বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে ও খুলে বিক্রয় করে। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।