সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোপা জিততে অহংকার পেছনে ফেলতে হবে : ব্রাজিলিয়ান গোলকিপার

নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

ব্রাজিল পাঁচ বিশ্বকাপ ট্রফির শেষটি জিতেছিল ২০০২ সালে। তারপর থেকে গ্রুপ পর্ব পার হলেও নকআউটে বিদায় নিতে হয়েছে। পাঁচ আসরে চারবার খেলেছে কোয়ার্টার ফাইনাল, আর একবার সেমিফাইনাল। প্রত্যেকবারের মতো এবারও তারা হেক্সা স্বপ্ন পূরণে মাঠে নামবে। শিরোপা জয়ের বিশ্বাস থাকবে বরাবরের মতো। এই সাফল্য পেতে দৃঢ় মানসিকতা ও কৌশলগত দক্ষতার পাশাপাশি আরেকটি বিষয়ে নজর রাখতে হবে মনে করেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা পাওয়া গোলকিপার ওয়েভারতন।

 

গত বিশ্বকাপের দলেও ছিলেন ওয়েভারতন। ওই আসরে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে বাদ পড়তে দেখেছেন। এবার যে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকতে পারবেন, তা নিয়ে হয়তো দ্বিধায় ছিলেন তিনি। কারণ আনচেলত্তি আসার পর তাকে কখনো ডাকেননি। তাই দলে নিজের নাম দেখে উচ্ছ্বাসে ভেসেছেন তিনি, ‘গত কয়েকটা দিন খুবই স্পেশাল ছিল, মনটা আনন্দ এবং কৃতজ্ঞতায় ভরে গেছে। আমি ঈশ্বরের প্রতি ও সেই সব মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যারা আমাকে এতদূর আসতে সাহায্য করেছেন। প্রতিদিন আমি সেই সুযোগটির কথা ভাবি যা আমাদের সামনে ইতিহাস গড়ার জন্য এসেছে—এমন একটি জাতির প্রতিনিধিত্ব করা যারা ফুটবলকে এতটা ভালোবাসে এবং তারা ব্রাজিলের ষষ্ঠ শিরোপা নিয়ে ঘরে ফেরার মিশনে সবসময় থাকবে।’

আলিসন ও এদারসনের সঙ্গে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ দলে গোলকিপার হিসেবে অংশ নেবেন ওয়েভারতন। মূল একাদশে জায়গা না পেলেও তাদের মধ্যে বোঝাপড়া দারুণ বললেন তিনি। দুই সতীর্থ গোলকিপারকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়েভারতন, ‘চমৎকার গোলরক্ষক হওয়ার পাশাপাশি তারা দুজন অসাধারণ মানুষ। বন্ধু হিসেবে তাদের পাওয়াটা আমার জন্য ভাগ্যের ব্যাপার। ২০২২ সালে আমাদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক ছিল এবং একে অপরের প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা ছিল। গোলরক্ষক হিসেবে আমরা জানি যে আমাদের মধ্যে কেবল একজনই খেলার সুযোগ পাবে, কিন্তু আমরা প্রতিদিন একে অপরকে এমনভাবে অনুপ্রাণিত করি যাতে আমরা তিনজনই সর্বোচ্চ স্তরে পারফর্ম করতে পারি। যে-ই খেলার সুযোগ পাক না কেন, সে সবসময় বাকিদের উৎসাহিত করে যাবে।’


এই বিভাগের আরো খবর