প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ ছাদ থেকে লাফ দিয়ে ওই আত্মহত্যার চেষ্টা করে। লাফ দেওয়ার সময় উচ্চস্বরে ‘আল্লাহু আকবর’ বলে চিৎকার করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মিডিয়া অফিসার ড. শঙ্কর বলেন, আমরা তাকে গুরুতর অবস্থায় পেয়েছি। সার্জারির জন্য ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার পুরো শরীরে ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে এবং একটি পা ভেঙে গেছে। এখনই তাকে শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না।
সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম বলেন, এখন সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে বলা যাচ্ছে না।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মান্তিক। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি এবং তাকে চিকিৎসার জন্য রামেকে পাঠানো হয়েছে। আমি সরাসরি তাকে দেখিনি, পরে পুরো তথ্য জানাতে পারবো।আহত ওই শিক্ষার্থীর নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেখে ধারণা করা হচ্ছে, বিভাগের সিনিয়র কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক থাকতে পারে। সম্প্রতি প্রেমঘটিত ঝামেলা নিয়ে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্টও করেন সাদ। এক পোস্টে ‘আম্মু আমাকে মাফ করে দিও’ এমন লিখে ক্ষমাও চান তিনি।







