এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে সুবিচার কায়েম করার জন্য বিচারব্যবস্থাকে মজবুত হতে হবে। এটিএম আজহারুল ইসলামের বিচার একটি সুবিচার হয়েছে।’তিনি বলেন, ‘যারা বিচার চায় না, যারা শুধু তাড়াতাড়ি নির্বাচন চায়, সংস্কার চায় না, তাদের কথায় নির্বাচন হবে না। আগে রিফর্মেশন তারপর নির্বাচন চায় জামায়াতে ইসলামী।’২০ বছর পর কর্মী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আজ ভোর থেকে ১৩টি উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা দলে দলে সম্মেলনস্থলে এসে উপস্থিত হন। দুপুরের মধ্যে হাজারো নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে উৎসব আমেজে মুখরিত হয় জেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠ।
কর্মী সম্মেলনে কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. মাওলানা সামিউল হক ফারুকী।সম্মেলন শেষে জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে তাদের উপস্থিত সকলের মাঝে পরিচয় করিয়ে দেন প্রধান অতিথি।







