অন্যদিকে সংঘর্ষের পরে আবারও এনসিটিবির সামনে অবস্থান নেন ‘স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি’ সদস্যরা। এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও ১৫ জনের মতো আহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ‘স্টুডেন্ট ফর সভারেন্টি’র আহ্বায়ক জিয়াউল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, আমরা বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবো।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আমাদের জায়গায় এখনও রয়েছি। আমরা তাদের ওপর হামলা চালাইনি। তারাই আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তাদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেরও অনেককেই দেখা গেছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক সংগঠন। কিন্তু অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও আমাদের শাখা রয়েছে। আর যেহেতু এটি সার্বভৌমত্বের ইস্যু, তাই অনেকেই এখানে আমাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রিয়াজুল হাসান বলেন, ‘আমি শুনেছি ১৩ থেকে ১৪ জন আহত হয়েছে। আদিবাসী পরিচয়ধারীদের বেশি আহত হয়েছেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে এনসিটিবি’র একজনও আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা (পাহাড়ি) যদি এসে আমাদের বলতো, তাহলে আমরা তাদের কথাও শুনতাম। আগে একটি পক্ষ এসে আমাদের কাছে তাদের দাবি জানিয়েছে। তারা এলে তাদের কথাও শুনতাম। অথচ একটি চক্রের ইন্ধনে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা হয়েছে।’








