রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

দেশ নিউজ ডেস্ক :
আপডেট : বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

আজ ২৫ ডিসেম্বর, শুভ বড়দিন। এদিন এই পৃথিবীতে আগমন করেন খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যিসাস ক্রাইস্ট বা যিশু খ্রিষ্ট বা ঈসা মসীহ। আজ থেকে প্রায় ২ হাজার ২৩ বছর আগে এদিনে জেরুজালেমের বেথেলহাম শহরের এক গোয়ালঘরে জন্ম হয় তাঁর। তবে যিশুর জন্মের অনেক বছর পর খ্রিষ্টানরা এ দিনটিকে আনন্দ ও মুক্তির দিন হিসেবে পালন করতে শুরু করেন। ৪৪০ সালে পোপ এ দিবসকে স্বীকৃতি দেন। তবে উৎসবটি জনপ্রিয়তা পায় মধ্যযুগে। সে সময় এর নাম হয় ‘ক্রিসমাস ডে’।এদিনে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও নানা আয়োজনে আজ উদযাপন করছে তাদের সবচেয়ে বড় উৎসব, যিশু খ্রিষ্টের জন্মতিথি, বড়দিন।

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়সহ সকলকে মানবতার মহান ব্রতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।  ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষ্যে এ সম্প্রদায়ের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যীশু খ্রিষ্ট এই দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন ছিল যীশু খ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। মহামতি যীশু বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তাঁর জীবনাচরণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলির জন্য তিনি মানব ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। হাজার বছর ধরে এদেশে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করছে। এখানে রয়েছে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা। বড়দিন দেশের খ্রিষ্টান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ ও সম্প্রীতিকে আরো সুদৃঢ় করবে বলে আমি আশা করি। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকার একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

প্রধান উপদেষ্টা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীসহ সকলের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

আজ সরকারি ছুটি। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন, বেসরকারি টিভি ও রেডিও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে।

 


এই বিভাগের আরো খবর