মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী বছর ২০২৬ সালে ভারতের সাথে চুক্তি শেষ হবে। আমরা জানি না ভারত এখন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তাই আমাদের দায়িত্ব হলো সারা বিশ্বে আমাদের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। বাংলাদেশের মানুষ, গঙ্গা থেকে সব ন্যায্য হিস্যা পাওয়া আমাদের অধিকার। এটা কোনো দয়া নয়।
পিআর নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে একটি দল সংকটকে আরও সংকটে নিয়ে যাচ্ছে। গত ১৭ অক্টোবর সংস্কারের সনদ সই করেছি এবং অনেকগুলো বিষয়ে একেমত হয়ে গেলাম। এখন হঠাৎ করেই সেই দলটি বলতে শুরু করেছে না আমাদের পিআর দরকার। নেতাকর্মীদের তিনি প্রশ্ন করেন- আপনারা পিআর বোঝেন? আমিও বুঝি না। প্রপোশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর)। এর বাংলা হলো আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব, এটা বুঝা আরও কঠিন। যে জিনিসটা বাংলাদেশের মানুষ বোঝে না ওই জিনিসটা ঘাড়ের মধ্যে চাপিয়ে দিচ্ছেন কার ইঙ্গিতে?

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধান উপদেষ্টা যে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে, এই নির্বাচন হতে হবে। এই নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। এই নির্বাচন দিতে যত দেরি হচ্ছে বাংলাদেশ তত দুর্বল হচ্ছে। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো সরকার সফলতার সঙ্গে দেশ চালাতে পারে না।
জামায়াতের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা খুব পরিষ্কার করে বলছি- আপনারা ভালো হয়ে যান। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতিতো অনেক আগে থেকে শুরু হয়েছে। কেন মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন। আপনাদের যত বিলবোর্ড দেখলাম, অন্য কোনো দলের তো এতো দেখলাম না। যতো পোস্টার দেখলাম, অন্য কোনো দলের এতো দেখলাম না। তাহলে কেন মানুষকে বোকা বানাচ্ছেন। আপনারাতো নির্বাচন করবেন। নির্বাচন না করলে আপনাদের অস্তিত্ব থাকবে না। নির্বাচন করলে আপনারা পরাজিত হবেন, তাই নির্বাচন পেছাতে চান।
গণসমাবেশে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হারুনুর রশিদ, আরেক উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান মিঞা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।