বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন

জানুয়ারিতেই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই দিতে বিশেষ ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ :
আপডেট : সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪

পাঠ্যবই যথাসময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাতে পারা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও তা কাটিয়ে ওঠার সব পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতেই বিনামূল্যের সব পাঠ্যবই সারা দেশের শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছাতে চায় এনসিটিবি। এ লক্ষ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় ছাপা হবে মাধ্যমিকের এক কোটি বই।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশি পাঠ্যবই ছাপিয়ে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকের পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যেই ছাপা শেষে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর বছরের শুরুতে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতেও পাঠ্যবই পৌঁছানো নিশ্চিত করতে এক কোটি পাঠ্যবই ডিপিএম পদ্ধতিতে (টেন্ডার ছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি) ছাপার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই এক কোটি বই ছাপতে দেওয়া হয়েছে আর্মি প্রিন্টিং প্রেসকে।

এনসিটিবি জানিয়েছে, এবার মোট বইয়ের সংখ্যা ৪০ কোটির মতো। এর মধ্যে মাদ্রাসার এবতেদায়ি এবং মাধ্যমিক স্তরের জন্য দুই কোটি ৩১ লাখের মতো এবং প্রাথমিক স্তরের বই ৯ কোটি ২০ লাখের মতো। ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে (২০১৩ সাল থেকে পাঠ্যবই) ফেরত যাওয়ায় মাধ্যমিকের বইয়ের সংখ্যা এবার বাড়ছে। কারণ স্থগিত হওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থীকে ১৪টি করে বই পড়তে হতো। আর ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ২২টি করে এবং নবম দশম শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৩৩টি করে বই ছাপতে হতো। এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের পড়তো হতো ১৪টি করে পাঠ্যবই।


এই বিভাগের আরো খবর