‘তারপরেও হঠাৎ করে কেন সিদ্ধান্ত নিলো আমার ঠিক মাথায় আসছে না। আর এরকম একটি বড় টুর্নামেন্টের আগে এই সিদ্ধান্তটাতে আমি আসলে হতাশ হয়েছি এবং বিব্রত বোধ করছি। কারণ যদি কোনো সমস্যা হয়ে থাকত বা কোনো সমস্যা থাকত, সেটা এই টুর্নামেন্টে খেলে আসার পরেও কিন্তু আমাকে জানাতে পারত যে এটার কারণে আমি ছেড়ে দিচ্ছি। তখন আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। এটা করলে অনেক ভালো হতো।’-যোগ করেন তিনি।
জ্যোতির এমন সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন বাবু, ‘আমরা বসব বোর্ডে। তামিম, আমরা বসে সিদ্ধান্ত নিব। এশিয়ান গেমস থেকে আসার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিব কীভাবে কী করা যায়। সে যেহেতু স্বস্তিবোধ করছে না, যেটা বলেছে আমি ব্যাটিংয়ে আরও মনোযোগী হতে চাই, কিপিংয়ে মনোযোগী হতে চাই। সুতরাং পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে আমি থাকতে চাই, টি-টোয়েন্টিটা আমি ছেড়ে দিতে চাচ্ছি, এরকম একটা মেইল পাঠিয়েছে। সে আসার পরই আমরা এটা চূড়ান্ত করব।’







