ফখরুল বলেন, আজকেই মনে হয়, তাকে আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার ছিলে। কারণ জাতি একটি সন্ধিক্ষণ অবস্থায় আছে। যখন আমরা একটি অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে আছি, ফ্যাসিবাদী হাসিনাবিরোধী একটি বিস্ফোরণ হয়েছে। হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা মনে করি, এই পরিবর্তনের সময়গুলোই হচ্ছে সবচেয়ে জরুরি সময়। জনমতকে সঠিক পথে প্রবাহিত করা অত্যন্ত জরুরি কাজ। আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন সেই মাপের একজন মানুষ। যিনি সবচেয়ে প্রতিকূল পরিবেশেও আন্দোলন তৈরি করতে পারতেন। মানুষকে একত্রিত করার ক্ষমতা তার ছিলে। সেজন্য আজ বারবার তার কথা মনে পড়ছে। বিএনপি নিয়ে শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া যে স্বপ্ন দেখেছিলেন ও তারেক রহমান যে স্বপ্ন দেখছেন, সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা অবশ্যই আব্দুল্লাহ আল নোমানের শূন্যতা অনুভব করি।
মির্জা ফখরুল আব্দুল্লাহ আল নোমানের সঙ্গে কাটানো সময়ের স্মৃতিচারণ করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলতে চাই— গণতন্ত্র বা নির্বাচন নিয়ে কোনও ষড়যন্ত্র হলে বিএনপি আবারও রাজপথে আন্দোলন করবে।
রাজনীতি এবং শ্রমিক আন্দোলন এক সঙ্গে করেছেন নোমান। তার সঙ্গে পরিচয়ের প্রথম দিন থেকে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছি। কারণ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ছিল তার প্রবল। তিনি শ্রমজীবী মানুষকে খুবই ভালোবাসতেন। এ জন্য শ্রমিক অঙ্গনে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধার আসনে। চট্টগ্রামে তিনি বহু নেতা তৈরি করেছেন। মৃত্যুর দিনেও চট্টগ্রামে একটি জনসভায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আদর্শের শ্রমিক দলকে গড়ে তুলতে পারলে তার প্রতি আরও শ্রদ্ধা জানানো হবে।
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখতেন শহীদ জিয়া আবদুল্লাহ আল নোমান তা বাস্তবায়নে কাজ করেছেন।







