ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় গত ২২ এপ্রিল ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ২৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়। এরপরেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয় ভারত সরকার। এর মধ্যে সীমান্ত বন্ধ এবং সিন্ধু পানিবন্টন চুক্তি স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্তও রয়েছে। বর্তমানে ভারত-পাকিস্থান এই দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার মহদিপুর আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্যি হয়। কিন্তু পহেলগামে হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে রীতিমতো কড়াকড়ি আরোপ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এতে ব্যবসায় ক্ষতির আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ভারতীয় রপ্তানিকারকরা।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে সুতাসহ বেশ কিছু পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে। ভারত থেকে আমদানি নিষিদ্ধের তালিকা বেশ বড়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ডুপ্লেক্স বোর্ড, নিউজ প্রিন্ট, ক্রাফট পেপার, সিগারেট পেপার, মাছ, গুড়ো দুধ, তামাক, রেডিও এবং টিভির যন্ত্রাংশ, ফার্মিকা শিট, সিরামিক পণ্য, সেনেটারি পণ্য, স্টিলের জিনিসপত্র, মার্বেল স্ল্যাব ও টাইলস এবং মিক্স ফেব্রিক।
মালদহ জেলার মহাদিপুর স্থলবন্দরের এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, আমাদের মাহাদিপুর স্থলবন্দর একটি শান্তিপূর্ণ জায়গা। যে ঘটনাটা পহেলগামে হয়েছে সেটা অত্যন্ত খারাপ ও নিন্দনীয় ঘটনা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী উত্তম ঘোষ বলেন, বর্তমান যা পরিস্থিতি যে কোনো মুহূর্তে আমাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং আমাদের ব্যবসায় ক্ষতিও হতে পারে।