বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে যারা অপরাধ করেছে ও নির্দেশ দিয়েছে তারাই লজ্জাহীনভাবে বাসে আগুন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লুটের টাকায় ককটেল কেনা হচ্ছে। পদ্মা সেতু আর মেট্রোরেলের আত্মসাৎ করা টাকা থেকেই এখন নাশকতার টাকার যোগান আসছে।
রিজভী বলেন, আমরা একটি শান্তিময় বাংলাদেশ চাই, যেখানে সব মতের মানুষ তাদের মতামত সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারবে এবং ভোট হবে নির্বিঘ্ন, সুষ্ঠু ও ইনক্লুসিভ।শেখ হাসিনার অপরাধের শাস্তি যথাযথ হলে সেটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে মন্তব্য করে রিজভী বলেন, মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার। শেখ হাসিনা আমলের মতো নির্দেশিত আদালত এখন হবে না, সেটাই জনগণের বিশ্বাস। জনগণ চায় ন্যায্য বিচার। সেই ন্যায্য বিচার জনগণ প্রত্যক্ষ করছে, প্রত্যক্ষ করবে।

ফ্যাসিবাদের আমলে মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে গণতন্ত্রিক আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তখনও আমরা বারবার বলেছি এই আগুনের সাথে গণতন্ত্রকামী মানুষের কোনো সম্পর্ক নেই, বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্পর্ক নেই। আমরা সুস্পষ্ট প্রমাণও দিয়েছি তখন। আগুন সন্ত্রাস কারা করে তার নমুনা এখন দৃশ্যমান।
ভারতে বসে শেখ হাসিনার নির্দেশনা আইনসম্মত নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ভারত কেন তা হতে দিচ্ছে? অপরাধীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নাশকতার সুযোগ দিয়ে আইনের লঙ্ঘন করছে ভারত। বাংলাদেশের মানুষ এটি ভালোভাবে দেখছে না, এমন আচরণ কাম্য নয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইয়েদুল আলম বাবুল প্রমুখ।