সন্তানদের সাথে আপনার সারাটি দিন কেমন কাটে?
আমার দিন কাটে একদম ঝড়ের গতিতে। ওদের এখন যে বয়স, তাতে কখন কী মন-মর্জি হয় তা বুঝে ওঠা মুশকিল। সারা দিন আমার দুই সন্তানের প্রচণ্ড দস্যিপনার মাঝেই সময় কেটে যায়।
অনেকেই মনে করেন মায়েরা সন্তানদের শুধু দিয়েই যান, আসলে কি তাই?
আমার মনে হয় তা-ই হওয়া উচিত। সব দেওয়াটা তো মায়ের দায়িত্ব। বাবা-মায়ের কাছ থেকে সব কিছু পাওয়াটা সন্তানদের অধিকার।
ওরা আমার ডানা। ওদের জন্যই আমি এখন উড়তে পারি।
ওদের সঙ্গে কাটানো কোন মুহূর্তটা আপনার সবচেয়ে প্রিয়?
ওরা যখন আমাকে আদর করার জন্য কম্পিটিশন শুরু করে, সেই মুহূর্তটা সবচেয়ে মিষ্টি। কে কত বেশি চুমু দিতে পারে আমাকে, তা নিয়ে ওদের সেই খুনসুটি আমার দারুণ লাগে।
পরীমনির মাতৃরূপ
ওদের নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ ভাবনা কী?
আমি চাই ওরা যেন বড় হয়ে একজন ‘মানবিক’ মানুষ হয়।
ওদের বাবা (চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ) যদি কোনদিন অনুতপ্ত হয়ে ফিরে আসে, সন্তানদের দায়িত্ব নিতে চায়? গ্রহণ করবেন?
বড় হয়ে গেলে আমার বাচ্চারা ওদের নিজেদের দায়িত্ব নিজেরাই বুঝে যাবে। আসলে বৃষ্টি শেষ হওয়ার পর মাথায় ছাতা ধরে তো কোনও লাভ নেই, তাই আমি মনে করি সময়ের কাজ সময়ে হওয়া জরুরি।
সন্তানদের সাথে খুনসুঁটিতে পরীমনি
বাবার স্নেহ থেকে শিশুরা বঞ্চিত হচ্ছে—এই অভাবটুকু আপনি কীভাবে পূরণ করছেন?
আমি একাই ওদের জন্য যথেষ্ট, আলহামদুলিল্লাহ।
আমাদের দেশে মায়েদের অনেক সংগ্রামের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, আপনি কতটা অনুভব করছেন?
মাতৃত্বজুড়েই আসলে একটা সংগ্রাম।
মা দিবস উপলক্ষে অন্য মায়েদের উদ্দেশে শেষে কী বলবেন?
সব মায়েদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। মায়েরা কখনোই দুর্বল নয়, এটা সমাজের সবার মানতে শেখা উচিত।







