অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গড়া এই দল নিয়ে বিশ্বকাপে ভালো কিছুর আশায় বাংলাদেশ। স্পিন ও অলরাউন্ডার নির্ভর স্কোয়াডে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ এ নিয়ে আজ রবিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘তাজ নেহার বহুমুখী একজন ব্যাটার, যিনি ১ থেকে ৬ নম্বর পজিশনের যেকোনো জায়গায় ব্যাটিং করতে পারে। বিশেষ করে ইনিংসের শেষ ৫ ওভারে রান তোলার যে সমস্যা দলে রয়েছে, তাজ নেহার সেটি সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।’
এরপর তার দল নিয়ে ব্যাখ্যা, ‘বাংলাদেশের ক্রিকেটে ভালো পেসারের পাইপলাইন বেশ সংকীর্ণ এবং অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তারা ইনজুরিতে পড়ে। যদিও ইংল্যান্ডের কন্ডিশন পেস সহায়ক হওয়ার কথা, তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেখানে উইকেট অনেকটা উপমহাদেশের মতো আচরণ করছে, যেখানে বল স্পিন করে। তাই কন্ডিশন বিবেচনা করে এবং স্পিনারদের ওপর ভরসা রেখে দল সাজানো হয়েছে।’
বিশ্বকাপে এবার ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রধান নির্বাচক অন্তত তিনটি ম্যাচ জিততে চান। তার আশা, ‘পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে আমাদের আশা আছে, তিনটি ম্যাচে আমরা জিতবো। আমাদের টার্গেট হলো নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এই তিনটা ম্যাচ আমাদের জেতা উচিত বলে আমি মনে করি।’
এবারের বিশ্বকাপ শুরু ১২ জুন। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৪ জুন বার্মিংহামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। এরপর ১৭ জুন লিডসে খেলা অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে, ২০ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পাকিস্তানের বিপক্ষে, একই মাঠে পরের ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে, ২৮ জুন লর্ডসে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার।
বিশ্বকাপের আগে স্কটল্যান্ডে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজও খেলবে নিগার- নাহিদারা। দেশ ছাড়বেন আগামী ২৫ মে।
বাংলাদেশ দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), শারমিন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিমা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, জুয়ায়রিয়া ফেরদৌস ও তাজ নেহার।







