ভারতের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশের ভাইয়েরা তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ও কোনও কোনও টেলিভিশনে তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। তারা (বিগত সরকার) লাখ লাখ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করেছে। দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করেছে। আপনাকে, আমাকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। অস্ত্র লুটপাট করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে লাখ লাখ তাদের দলীয় কর্মী নিয়োগ দিয়ে দলীয় বাহিনীতে রূপান্তরিত করেছিল।
তিনি বলেন, আজকে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের রক্তের শপথ নিয়ে বন্ধুদের মনে রাখতে হবে, ঐক্যের ভাঙনের চেষ্টা করবেন না। জাতি ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই স্বৈরাচার পালিয়েছে। জাতি যদি তার ঐক্য ধরে রাখতে ব্যর্থ হতো তাহলে আমরা সবাই ব্যর্থ হতাম। ঐক্য ধরে রাখতে হবে। তার জন্য যেটা প্রয়োজন, কমন শত্রু আইডেন্টিফাই করুন এবং দ্রুততার সঙ্গে জনগণকে তার অধিকার আদায়ের সুযোগ দিন। জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে দেশ কোন পথে যাবে, কাদের ধারণ করবে এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ কেমন হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা আজকে অনেক ন্যারেটিভস, অনেক কথা শুনি। সব কথা শুনবো, চিন্তা করবো তারপরে কমেন্টস করবো— তাহলে ভুল কম হবে। আর যদি আপনি নাই শুনেন, চিন্তা না করেন তাহলে ভুল হয়ে যাবে। কাজেই আমরা যখন শুনি, ৫৩ বছরে সংস্কার হয়নি, তখন আমাদের মনে কষ্ট লাগে। কারণ যিনি বলেন তার বয়স ৫৩ হয়নি। বাংলাদেশের সংস্কারের যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়া তিনি জানেন না, অথবা স্বীকার করতে চাননি অথবা বুঝতে পারেননি।
জেটেব সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভাটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এ.বি.এম. রুহুল আমীন আকন্দ। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন— বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।







