মজুদ বাড়লেও দাম কমছে না দেশি গরুর। তাই দেশি গরুর দাম এখনও মধ্যবিত্ত পরিবারের হাতের নাগালের বাইরে। অনেকে গরু কিনতে হাটে আসলেও দাম বেশি থাকায় দরদাম করে বাড়ি ফিরছেন। তাদের আশা শুক্রবারে কোরবানির পশুর দাম কমে যাবে। তখন সাধ্যের মধ্যে গরু পাওয়া যাবে।
তবে ভিন্ন আশঙ্কা প্রকাশ করে একই উপজেলার বড়গাছী গ্রামের নুরল আমিন জানান, তার খামারে এবার ১৫টি বড় গরু পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গরু বিদেশি জাতের। এসব গরু পালন করতে বছরজুড়ে তাকে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে। শ্রমিক নিয়ে এসব গরু পালন করেছেন কোরবানির মৌসুমে কিছু বাড়তি লাভের মুখ দেখবেন বলে। কিন্তু বড় গরুর চাহিদা কম থাকায় তার মতো অনেকেই শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। তাদের পশু অবিক্রিত থেকে গেলে আরও এক বছর পলতে হবে না হলে কেজি দরে বিক্রি করে দিতে হবে। এতে লাভের চেয়ে লোকসানের পাল্লাই ভারী হবে বলে হতাশার কথা জানান এই খামারি।
নওহাটা ও কাটাখালী হাট ঘুরে দেখা যায়, ছোট গরুর চাহিদা বেশি। বেচাকেনাও জমজমাট। যারা একাধিক জন একসঙ্গে কোরবানি করতে ইচ্ছুক তারা কিনছেন মাঝারি আকারের ৪ থেকে ৬ মণ ওজনের গরু। সাধারণত একই পারিবারের ২ থেকে ৩ জন সদস্য মিলে ছোট গরু কিনছেন। তাদের বাজেট ৬০ থেকে ৮০ হাজারের মধ্যে। হাটে এমন ক্রেতাই বেশি। এ ছাড়া যারা ৭ জন মিলে কোরবানি করবেন বলে নিয়ত করেছেন; তারা মাঝারি আকারের গরু কিনছেন। ফলে ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হলেও বড় গরু অবিক্রিতই থাকছে।
ছাগলের দামও ১২ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে হাটগুলোতে। ছোট সাইজের ছাগলগুলো পাওয়া যাচ্ছে ১২ থেকে ১৭ হাজারের। আর বড় সাইজের পাওয়া যাচ্ছে ১৮ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে।
তবে রাজশাহীর হাটগুলোতে গরু ও ছাগলের আমদানি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। হাটে বেশিরভাগ ক্রেতাই ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর দরদাম করছেন। কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা বা বড় আকারের গরুর দিকে আগ্রহ কম ক্রেতাদের।







