বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের মার্চে প্রবাসী আয় ছিল ৩২৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের মার্চে ছিল ১৯৯ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ৭ শতাংশ। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৭৭ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার ফলে ব্যাংকিং খাতে ডলার সংকট অনেকটাই কেটে গেছে। ডলারের দামে অস্থিরতা কমে এসেছে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরেছে। বর্তমানে আন্তঃব্যাংক বাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ১২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আমদানিকারকদের জন্য স্বস্তির বার্তা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এটি বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশা করছেন, সামনের মাসগুলোতেও রেমিট্যান্সের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে। এতে সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়বে সুদূরপ্রসারী প্রভাব।







