বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনের এ পর্যায়ে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “অভিযোগ উঠেছে আমাদের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত এক সদস্য বলেছেন যে আমি সংবিধানকে ধরে রাখার জন্য চেষ্টা করেছি এবং সংবিধান যেন ঠিক থাকে সেই ব্যাপারে আমি বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে আপনারা, সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি— হ্যাঁ, করেছি। কারণ এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্বের সঙ্গে জড়িত, এই সংবিধান আমাদের আবেগের সঙ্গে জড়িত। এই সংবিধান ১৯৭১ সালে লাখ লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে জড়িত।”
রাষ্ট্রপতির বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন সালাহ উদ্দিন সাহেব, আজকে যে রাষ্ট্রপতির ব্যাপারে আমরা কথা বলছি, রাষ্ট্রপতি যে-ই হোন না কেন, তিনি একটি ইনস্টিটিউশন, কোনও ব্যক্তি নন। একটা প্রতিষ্ঠান, সেই প্রতিষ্ঠানকেই আমরা রক্ষা করেছি আমাদের প্রয়োজনে। কারণ ৫ আগস্টের পরে যদি এই রাষ্ট্রপতি না থাকতেন তাহলে এই রাষ্ট্রে একটা অরাজকতা, একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো।”
জুলাই আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ইতিহাস, আমাদের বুকেই আমরা ধারণ করি, এই দেশের সব মানুষই ধারণ করে। যখন এই কথাগুলো এই বিষয়গুলো নিয়ে কোনও কটাক্ষ করা হয়, তখন তো অবশ্যই আমরাও কষ্ট পাই। এই লাখো মানুষ যারা সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে—তারাও কিন্তু একইভাবে কষ্ট পায়।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের সংস্কারবিরোধী বলে চিহ্নিত করবার চেষ্টা করেন, পোস্টার নিয়ে এসেছেন, পার্লামেন্টে বলেছেন আমরা সংস্কার চাই না। সংস্কারের জনক তো আমরাই।”







