‘বরং উপদেষ্টা পরিষদ গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়া হয়নি। যে কারণে উপদেষ্টা পরিষদের কিছু ব্যক্তিকে নিয়ে অনেকের আপত্তি আছে।’ বলেন মো. রাশেদ খান।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘অনতিবিলম্বে এই দুজন ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করছে গণঅধিকার পরিষদ। নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীর নেতা মুহাম্মদ এজাজকে উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে অপসারণ করে গ্রেফতার না করা হলে যমুনা ঘেরাও করা হবে।’
গণঅধিকার পরিষদের পাঁচ দফা দাবি হলো– শেখ হাসিনার রাষ্ট্র দখলের আইন প্রয়োগ করে প্রশাসক নিয়োগ চলবে না। এই অবৈধ আইনে নিয়োগ করা প্রশাসকদের নিয়োগ বাতিল করতে হবে; আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংলাপ শুরু করতে হবে; আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে; জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উপদেষ্টা ও সরকারের সব দফতর থেকে এনসিপির ছাত্র প্রতিনিধিদের পদত্যাগ করতে হবে এবং করিডর ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখছেন– গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন। আরও উপস্থিত ছিলেন– গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আব্দুজ জাহের, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মঞ্জুর মোরশেদ মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম প্রমুখ।







