শনিবার (১১ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত টিসিবির ট্রাক সেল বন্ধ, ৪৩ লাখ পরিবারের কার্ড বাতিল এবং শতাধিক পণ্যে শুল্ককর বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মানববন্ধনের আয়োজন করেছে নাগরিক ঐক্য।
গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ এই নেতা বলেন, ব্যাংকগুলো সব ঠিকমতো চলে? যেরকম চেক দেয়, সেরকম টাকা দিতে পারে? এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো তার নিয়ম অনুযায়ী চলে? সবগুলো ব্যাংকে যথাযথ তারল্য আছে? আমরা সেজন্য ড. ইউনূসকে কাঠগড়ায় তুলছি না। অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় তুলছি না। কিন্তু, আমরা যে শুনলাম ড. ইউনূস আসলে দেশের চেহারা বদলে যাবে, সারা দুনিয়ায় তার এত বন্ধুবান্ধব, এত ভক্ত— ওরা সবাই টাকা দিবে আর আমাদের সংকট কেটে যাবে। এরকমভাবে এখনও পর্যন্ত বিদেশ থেকে আমাদেরকে তো কোনও টাকা পয়সা দেয়নি।
তিনি বলেন, এই জাতিকে আপনি (ড. ইউনূস) সংঘটিত করে যদি সামনের দিকে, উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে না পারেন, তাহলে এরপরে কেউ এটা পারবে না। আইএমএফ’র প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী যদি দেশ চালানোর কথা ভাবেন, তাহলে আপনার সঙ্গে আমাদের আরও লড়াই বাঁধবে। যদি বিশ্ব ব্যাংকের পরামর্শ মতো এমন সিদ্ধান্ত হয়, যা জনগণের উপর চাপ সৃষ্টি করবে, আমরা সেটা সাপোর্ট করবো না। আমরা সেটা মানবো না। মানুষের পেটে যদি ক্ষুধার আগুন থাকে, তাহলে তারা সংস্কারের কথা শুনবে না।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমার দল ক্ষমতায় যাবে না। কিন্তু, তারপরও ভোট চাই। গণতন্ত্রের জন্য ভোট চাই। বিএনপি বড় দল, ওদের ক্ষমতার মুনমুনি থাকতেই পারে। চাইবেই তো। তারা তো কষ্ট স্বীকার করেছে। বিএনপি যদি রোডম্যাপের কথা বলে, তাহলে রোডম্যাপ দিবেন।
গণতন্ত্র মঞ্চের এই শীর্ষ নেতা বলেন, সরকার ১৫টা কমিশন গঠন করেছে। এখন পর্যন্ত কোনও কমিশন রিপোর্ট দেয়নি। কথা ছিল ডিসেম্বর মাসে দিবে। তারা বলেছে জানুয়ারিতে দিবে। জানুয়ারিরও অর্ধেক চলে যাচ্ছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট দেয়নি।







